
মোহাম্মদ হানিফ, সহব্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)–এর সদ্যঘোষিত ফেনী জেলা কমিটি নিয়ে দলে বিরাজ করছে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ। নতুন কমিটির একটি পদে পূর্বে বহিষ্কৃত এক নেতাকে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করায় ফেনীর বহু নেতা–কর্মী তাৎক্ষণিকভাবে কমিটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেছেন।
ঘোষিত কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন—
আহ্বায়ক: জাহিদুল ইসলাম সৈকত
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক: এ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মনসুর
সদস্য সচিব: শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিক
সিনিয়র সদস্য সচিব: মোহাইমিন তাজিম
সাংগঠনিক সম্পাদক: সুজা উদ্দিন সজিব
সহ–সাংগঠনিক সম্পাদক: জিয়া উদ্দিন ভাই
এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা বিভিন্ন পদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বহিষ্কৃত নেতাকে ফেরানোতেই বিরোধের সূচনা
স্থানীয় একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, যাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, আর্থিক অনিয়ম ও সাংগঠনিক বিশৃঙ্খলার লিখিত অভিযোগ ছিল এবং তদন্তের পর যিনি বহিষ্কৃত হন—তাঁকে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই নতুন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে।
তাঁদের মতে, “এটি দলের শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধের প্রতি সরাসরি আঘাত।” ক্ষুব্ধ নেতাদের অবস্থান: “এমন কমিটি মানি না”
ফেনীর কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতা বলেন,
“দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণকারী বহিষ্কৃত ব্যক্তিকে নেতৃত্বে ফিরিয়ে আনা আমাদের আত্মত্যাগের প্রতি অবজ্ঞা। এমন অস্বচ্ছ ও বিতর্কিত কমিটি আমরা মানি না।”
তাঁরা অভিযোগ করেন, বাস্তব পরিস্থিতি মূল্যায়ন না করেই তড়িঘড়ি করে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, যা মাঠপর্যায়ের নেতা–কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি
জেলায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে কেন্দ্রীয় কমিটির নজরদারির দাবি জানাচ্ছেন বহু নেতা–কর্মী। তাঁদের আশা,
“দলের স্থিতিশীলতা রক্ষায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দ্রুত পদক্ষেপ নেবে এবং বিতর্কিত এই কমিটিকে পুনর্বিবেচনা করবে।”
Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।