
আবু বক্কর ছিদ্দিক
স্টাফ রিপোর্টার, ফেনী
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ফেনীতে রাজনৈতিক অঙ্গন দিন দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পীর চরমোনাইয়ের রাজনৈতিক ধারার অনুসারী হাতপাখা প্রতীক থেকে ফেনীর দুটি আসনে একজন ব্যক্তির সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার গুঞ্জন স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলোচনায় থাকা ব্যক্তি সম্প্রতি ফেনী রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ইউনিটের সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েও জয় লাভ করতে পারেননি। এরপর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিলে তার নেতৃত্বদক্ষতা ও জনসমর্থন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল পর্যায়ে দৃশ্যমান কার্যক্রম বা সংগঠনী শক্তি না থাকা সত্ত্বেও জাতীয় নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা এখন অনেকের মাঝেই দেখা যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে—যারা ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে পরাজিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তারাও এখন জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার চেষ্টা করছেন।
এলাকার কয়েকজন ভোটার বলেন, “যে ব্যক্তি স্থানীয় পর্যায়ে মান তৈরি করতে পারেননি, তিনি কিভাবে জাতীয় পর্যায়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন?”
তবে বিপরীতমুখী মতও রয়েছে। অন্য এক অংশ মনে করে, “সংবিধান অনুযায়ী যোগ্যতা থাকলে যে কেউ নির্বাচনে আসতে পারেন। শেষ সিদ্ধান্ত ভোটারের—সুতরাং প্রার্থী হওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, প্রতিটি নির্বাচনে কিছু প্রার্থী থাকেন যাদের মাঠ পর্যায়ে তেমন সমর্থন নেই, কিন্তু দলীয় প্রতীক বা আলোচনায় থাকার কৌশল হিসেবে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এবারও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এ বিষয়ে হাতপাখা প্রতীকের রাজনৈতিক শাখা বা সম্ভাব্য প্রার্থীর কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
স্থাণীয় মনোভাব বলছে—দলগুলো যদি তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী বাছাই করে, তাহলে নির্বাচন হবে আরও প্রতিযোগিতামূলক, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক।
Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।