
আবু বক্কর ছিদ্দিক, ফেনী
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরপারবর্তী গ্রামে সম্পত্তি বিরোধ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন তদন্ত ও শালিসী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, উক্ত ঘটনায় জমির মালিকানা নিয়ে কোনো বিরোধ নেই; মূল বিরোধটি চলাচলের রাস্তা ব্যবহারের বিষয়কে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী আরবের নেসা (পিতা: আলতাব আলী) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয় ছালেহা খাতুন (পিতা: আবদুর রব), উভয়ের বাড়ি চরপারবর্তী গ্রাম, পোস্ট চৌধুরী হাট, থানা কোম্পানীগঞ্জ, জেলা নোয়াখালী। উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৫) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা শাখার পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ এবং দাগনভুইয়া উপজেলা সভাপতি জনাব সাইফুল ইসলাম।
সরেজমিন তদন্তকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করা হয়। দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর প্রতিনিধিদল নিশ্চিত হন যে, বিষয়টি জমির মালিকানা নয়, বরং চলাচলের রাস্তা সংক্রান্ত বিরোধ। পরবর্তীতে মানবাধিকার সংস্থার মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের সম্মতিতে শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে আগামী শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) সার্ভেয়ার আমিনের মাধ্যমে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শালিসী বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা অর্থ কর্মকর্তা জনাব ইব্রাহিম মিয়াজী, জেলা তথ্য কর্মকর্তা জনাব আবু বক্কর ছিদ্দিক, জেলা উপপরিদর্শক জনাব আলা উদ্দিন এবং ফেনী জেলা উপপরিদর্শক জনাব উসমান গনী। এলাকাবাসী মানবাধিকার সংগঠনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম গ্রামীণ পর্যায়ে বিরোধ দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।