
মোহাম্মদ হানিফ,সহব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম বিভাগ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর ২০২৫) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান। ৮০ বছর বয়সে ইন্তেকাল করা খালেদা জিয়া বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে এক অনন্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দীর্ঘদিন বিএনপির নেতৃত্ব দিয়ে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি নানা বয়সজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। তাঁর শারীরিক অসুস্থতার মধ্যে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস ও লিভারের জটিলতা উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে রাজনৈতিক মহলসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সাধারণ মানুষ তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম ও রাষ্ট্রীয় অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।
শোকবার্তায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা সংস্হা চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেম এবং ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ হানিফ বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু দেশের রাজনীতির জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি ছিলেন আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক দৃঢ় প্রতীক। আমরা তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।” বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশের রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান ঘটলো বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।