
নিজস্ব প্রতিবেদক
ইশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের ল্যাম্পপোস্টের আলোয় পড়ার বিষয়ইটি সত্য নাকি কাল্পনিক তাই নিয়ে বিতর্ক আছে। কারন আপনি আমি আমরা অনেকেই তা দেখিনি। তবে আজ আপনাদের কাছে অভাব এবং দারিদ্র্যতার জন্য সত্যি কারের ল্যাম্পপোস্টের আলোয় পড়া লেখা করে আর্মি অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখা হত দরিদ্র বিদ্যা সাগর রুপে নীরব কে নিয়ে এসেছি। তথ্য মতে নীলফামারীর রেলওয়ে স্টেশনের ২ নং প্লাটফর্মে বিদ্যাসাগর রুপে হতদরিদ্র শিশু নীরবকে প্রতিদিন ল্যাম্পপোস্টের আলোয় লেখা পড়া করতে দেখা যায়। স্থানীয় লোকজন এবং নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশনের তথ্য অনুযায়ী মা এবং বড় ভাই নিয়ে তিনজনের অভাবের সংসার। বড় ভাইয়ের বয়স ১৭ বছর। মা অসুস্থ কাজ করতে পারেননা,বড় ভাই শহরে দিনমজুরির কাজ করেন। অনেক সময় কাজ থাকেনা ঠিকমতো তিনবেলা খাবার ও জোটেনা তাদের।ল্যাম্পের তেল অনেক সময় অল্প একটু কোন রকম কিনতে পারেন আবার অনেক সময় অন্ধকারেরমধ্যে ই কাটে রাত আর তবে নীরব যতক্ষণ পর্যন্ত নিজ বাড়ির ল্যাম্পে ক্ষীন আলোয় পড়ার সুযোগ পান ততক্ষণ মন দিয়ে তো লেখা পড়া করেনই কিন্তু যখনই ল্যাম্পের তেল শেষ হয়ে যায় তখনই বেড়িয়ে পড়েন নীলফামারী রেলওয়ে স্টেশনের ল্যাম্পপোস্টের আলোয় লেখা পড়া করে আর্মি অফিসার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে।জানাযায় নীলফামারীর একটি মাদ্রাসাতে সে লেখা পড়া করে আসছেন খুবই মেধাবী একজন ছাত্র।এরাই জাতির প্রকৃত ভবিষ্যৎ এদের কোন ভাবেই হাড়িয়ে যেতে দেওয়া উচিৎ নয়। সকল বিত্তবান মানুষদের ইশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের রুপে নীলফামারীর নীরবের পাশে থাকার অনুরোধ করেছেন। স্থানীয় লোকজন, রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মিঠুন রায়(নীলফামারী) বলেন যতি বিত্ত বা শিক্ষা অনুরাগীরা নীরবের পাশে এসে দাড়ান তবে নীরবের স্বপ্ন পূরণ হবে দেশ ও জাতির কল্যাণে এই ধরনের প্রতিভাবান শিশু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যাদের বিকাশ ঘটাতে পারলে মেধাবী এবং পরিশ্রমিদের দিয়ে আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।