1. thpshopbd@gmail.com : admin :
ফুলগাজীর জামুড়া গ্রামে 1971 সালের গণহত্যাস্থল পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক - probahonewstv
April 29, 2026, 2:15 pm

ফুলগাজীর জামুড়া গ্রামে 1971 সালের গণহত্যাস্থল পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক

মোহাম্মদ হানিফ,সহব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম বিভাগ
  • Update Time : Tuesday, January 13, 2026
  • 121 Time View
ফুলগাজীর জামুড়া গ্রামে ১৯৭১ সালের গণহত্যাস্থল পরিদর্শন করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক।

ফুলগাজীর জামুড়া গ্রামে ১৯৭১ সালের গণহত্যাস্থল পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক
পাক হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত ২৭ শহীদের স্মরণে গভীর শোক, তীব্র নিন্দা ও নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান

মোহাম্মদ হানিফ,সহব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম বিভাগ

ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার অন্তর্গত জামুড়া গ্রামে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন ভয়াবহ গণহত্যাস্থল পরিদর্শন করেছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব মোহাম্মদ আবুল কাশেম। সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে সংক্ষিপ্ত এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার দাগনভূঞা উপজেলা পরিচালক জনাব নুর ইসলাম এবং ইনফরমেশন অফিসার জনাব কাজী নজরুল ইসলাম। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত জামুড়া গ্রামের নির্মম গণহত্যার স্মরণ এবং সেই ঐতিহাসিক স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক হানাদার বাহিনী জামুড়া গ্রামে অতর্কিত হামলা চালিয়ে একই পরিবারের সাতজন সদস্যসহ নিকটতম আত্মীয়স্বজন মিলিয়ে মোট ২৭ জন নিরীহ নারী ও পুরুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই বর্বর হত্যাকাণ্ড আজও এলাকাবাসীর হৃদয়ে গভীর বেদনার ক্ষত হয়ে রয়েছে।

পরিদর্শনকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কাশেম গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন এবং শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের এই নির্মম গণহত্যা মানবতার ইতিহাসে অন্যতম জঘন্য অপরাধ। আজও এর পূর্ণাঙ্গ বিচার না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এই গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানান এবং বলেন, এ ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ কোনোভাবেই ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। এসব অপরাধের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বিচার নিশ্চিত করা মানবতার দায়িত্ব। এ সময় তিনি ১৯৭১ সালে নিহত ২৭ জন শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন এবং আল্লাহ তায়ালার দরবারে তাঁদের জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করেন।

See also  হারানো বিজ্ঞপ্তি হারানো বিজ্ঞপ্তি

পরিশেষে তিনি বলেন, এই গণহত্যার জন্য পাক বাহিনীকে ইতিহাস ও মানবতার কাছে নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চাইতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এসব মানবতাবিরোধী অপরাধের স্বীকৃতি ও বিচার নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। স্থানীয় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী এই গণহত্যাস্থলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের এমন সফরে এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর আবেগ ও সন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এই গণহত্যার বিষয়টি রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পাবে।

Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category