
ফেনীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬ এর সমাপনীতে জমকালো আয়োজন:
মোহাম্মদ হানিফ সহব্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগ।
পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতি
“পুষ্টি সচেতন সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ অঙ্গীকার”—ফেনীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনীতে প্রতিফলিত হলো সমন্বিত উদ্যোগ ও সাফল্যের গল্প
ফেনী, ২৯ এপ্রিল — জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬ এর সমাপনী উপলক্ষে ফেনী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা। দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পুষ্টি বিষয়ে জেলা জুড়ে তৈরি হয় বিশেষ উৎসাহ-উদ্দীপনা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফেনীর সম্মানিত সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলার জেলা প্রশাসক মনিরা হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম।
এছাড়াও জেলা পুষ্টি কমিটির সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা), জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ এবং তাদের প্রতিনিধিবৃন্দ।
পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগ
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, “সুস্থ জাতি গঠনের মূল ভিত্তি হলো পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস ও জনসচেতনতা।” তারা আরও উল্লেখ করেন, শিশুদের শৈশব থেকেই সঠিক পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন করা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হবে আরও শক্তিশালী ও উৎপাদনশীল।
জেলা প্রশাসক মনিরা হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, পুষ্টি বিষয়ক কার্যক্রম শুধু একটি সপ্তাহে সীমাবদ্ধ না রেখে সারাবছরব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত প্রতিযোগিতা
জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের অংশ হিসেবে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন, কুইজ ও রচনা প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন স্কুলের ৩য় থেকে ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিজয়ীদের মাঝে সার্টিফিকেট ও আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে পুরো অনুষ্ঠানস্থল হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর।
সমাপনী বার্তা: পুষ্টি সচেতন ভবিষ্যতের পথে এক ধাপ এগিয়ে ফেনী
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণ প্রজন্মকে পুষ্টি সম্পর্কে আরও সচেতন করবে এবং একটি স্বাস্থ্যবান সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফেনীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের এই সমাপনী অনুষ্ঠান শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি ছিল একটি “সচেতন জাতি গঠনের প্রতিশ্রুতি”—এমনটাই মনে করছেন অংশগ্রহণকারীরা।