1. thpshopbd@gmail.com : admin :
বান্দরবানের মাতামুহুরী নদীতে ডুবে পর্যটকের মৃত্যু — নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার - probahonewstv
June 14, 2026, 1:18 am

বান্দরবানের মাতামুহুরী নদীতে ডুবে পর্যটকের মৃত্যু — নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার

মোঃ আবদুল্লাহ আল-মামুন (জেলা প্রতিনিধি)
  • Update Time : Sunday, October 5, 2025
  • 273 Time View
বান্দরবানে নদীতে ডুবে প্রাণ হারালেন ঢাকার সোহান, ৪০ ফুট নিচে মিলল লাশ

বান্দরবানের মাতামুহুরী নদীতে ডুবে পর্যটকের মৃত্যু — নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার

মোঃ আবদুল্লাহ আল-মামুন (জেলা প্রতিনিধি)

বান্দরবানের লামা উপজেলার মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া এক পর্যটকের লাশ নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলের প্রায় ৪০ ফুট নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা মো. সোহান (২৭)–এর মরদেহ। তিনি ইউসিবি চত্বর এলাকার বাসিন্দা আবু হান্নান সরকারের ছেলে।

ঘটনাপ্রবাহ : পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে নিহত সোহান ও তাঁর বন্ধু মো. শাকিল ঢাকা থেকে বেড়াতে এসে লামারফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের মিনঝিরি এলাকার “হোয়াইট পিক স্টেশন রিসোর্ট”-এ অবস্থান নেন।
দুপুর দেড়টার দিকে দুজনই রিসোর্টসংলগ্ন মাতামুহুরী নদীতে গোসল করতে নামেন। প্রবল স্রোতের কারণে সোহান নদীর গভীরে তলিয়ে যান, আর শাকিল কূল পেতে প্রাণে রক্ষা পান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। টানা প্রায় ২২ ঘণ্টা পর শুক্রবার সকালে ৪০ ফুট গভীর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার ও তদন্ত :  উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন লামা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সাব-অফিসার মো. আব্দুল্লাহ, তিনি জানান—  “প্রবল স্রোত ও নদীর গভীরতার কারণে উদ্ধার অভিযান কঠিন হয়ে পড়েছিল। শেষ পর্যন্ত বেলা ১১টার দিকে লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হই। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।” ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন, নিহতের পরিবার ও পর্যটন মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা।

🗣 স্থানীয় প্রতিক্রিয়া :  স্থানীয় ব্যবসায়ী আবদুর রহিম বলেন— “মাতামুহুরী নদীতে স্রোত খুব প্রবল থাকে। পর্যটকরা অজান্তেই ঝুঁকিতে পড়েন। যথাযথ সতর্কতা না নিলে এমন দুর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে।” পর্যটক গাইড সুমন চাকমা বলেন—  “প্রতিটি পর্যটন এলাকায় সাইনবোর্ড, সেফটি রোপ ও প্রশিক্ষিত গাইড থাকা দরকার। এগুলো থাকলে হয়তো এই প্রাণটা বাঁচানো যেত।” একজন স্থানীয় নারী বলেন,  “প্রতিবার দুর্ঘটনার পর আলোচনায় আসে নিরাপত্তার বিষয়টি, কিন্তু পরে সবাই ভুলে যায়। স্থায়ী সমাধান না হলে এভাবে পর্যটকদের প্রাণ যাবে।”

See also  ত্রিশালে পাঁচ দফা দাবিতে সমমনা দলগুলোর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

⚠ পর্যটন নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন :  স্থানীয়রা জানান, মাতামুহুরী নদী অত্যন্ত স্রোতস্বিনী ও গভীর হওয়ায় এখানে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটে।
তাঁরা পর্যটন এলাকাগুলোর পাশে নিরাপত্তা বেড়া, লাইফ জ্যাকেট সরবরাহ ও গাইড নিয়োগের দাবি জানান, যেন ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আর না ঘটে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category