1. thpshopbd@gmail.com : admin :
আলীকদমে জেলা পরিষদের প্রায় ১৮ কোটি টাকার ৩৫ প্রকল্প ঘিরে বড় প্রশ্ন - probahonewstv
August 27, 2026, 4:51 pm

আলীকদমে জেলা পরিষদের প্রায় ১৮ কোটি টাকার ৩৫ প্রকল্প ঘিরে বড় প্রশ্ন

মোঃ মাহফুজুর রহমান মোর্শেদ বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি।
  • Update Time : Wednesday, August 26, 2026
  • 267 Time View
আলীকদমে জেলা পরিষদের প্রায় ১৮ কোটি টাকার ৩৫ প্রকল্প ঘিরে বড় প্রশ্ন

আলীকদমে জেলা পরিষদের প্রায় ১৮ কোটি টাকার ৩৫ প্রকল্প ঘিরে বড় প্রশ্ন,
বরাদ্দ-বিল থেকে নির্মাণমান—সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমনের দায়িত্বকালীন প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ হিসাবের দাবি; রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়েও নথিভিত্তিক যাচাই চায় স্থানীয়রা

মোঃমাহফুজুর রহমান মোর্শেদ
বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:

বান্দরবানের আলীকদমে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে নেওয়া প্রায় ১৮ কোটি টাকার ৩৫টি উন্নয়ন প্রকল্প ঘিরে জবাবদিহির প্রশ্ন উঠেছে। সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমনের দায়িত্বকালীন সময়ে নেওয়া এসব প্রকল্পের বরাদ্দ, অর্থ ছাড়, কার্যাদেশ, বিল-ভাউচার, মাপজোক বই, বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এর পাশাপাশি তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রচারিত তথ্যের সত্যতা নথিভিত্তিকভাবে যাচাইয়ের দাবিও উঠেছে।

৩৫ প্রকল্পে প্রায় ১৮ কোটি টাকা—পূর্ণাঙ্গ হিসাব কোথায়?
সাইফুল ইসলাম রিমনের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে আলীকদম উপজেলায় জেলা পরিষদের অর্থায়নে ৩৫টি কাজের অনুকূলে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি প্রকল্পের লে-আউট দেওয়া হয়েছে এবং আরও কয়েকটি প্রকল্পের লে-আউট কার্যক্রম রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের প্রশ্ন—৩৫টি প্রকল্পের প্রতিটির নাম কী, কোন প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ, কত টাকা ছাড় হয়েছে, কত টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে এবং বাস্তবে কতটুকু কাজ সম্পন্ন হয়েছে?
তাদের দাবি, প্রকল্পভিত্তিক এসব তথ্য প্রকাশ করা হলে সরকারি অর্থের ব্যবহার সম্পর্কে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
প্রকাশিত ৮ প্রকল্পে বরাদ্দ ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা
২০২৫ সালের ২৭ মে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আলীকদমে জেলা পরিষদের অর্থায়নে আটটি উন্নয়ন প্রকল্পের লে-আউট হস্তান্তর করা হয়।

প্রকল্পগুলো হলো—
১. আলীকদম কলেজে দৃষ্টিনন্দন গেট ও প্রাচীর নির্মাণ — ৫৮ লাখ টাকা।
২. আলীকদম বাজারের অভ্যন্তরীণ সড়ক উন্নয়ন — ১১ লাখ টাকা।
৩. মুরুং কমপ্লেক্স সংস্কার — ৯ লাখ টাকা।
৪. কৃষি অফিস সড়ক ও গাইড ওয়াল নির্মাণ — ১০ লাখ টাকা।
৫. আলী বাজার মার্কাস মসজিদের গেট ও প্রাচীর নির্মাণ — ২৩ লাখ টাকা।
৬. কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের সিঁড়ি ও রাস্তা উন্নয়ন — ১২ লাখ টাকা।
৭. আলীকদম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কার — ১৩ লাখ টাকা।
৮. নয়াপাড়া মুসলিম পাড়া বাইতুল ইজ্জ মসজিদ
উন্নয়ন — ৩৩ লাখ টাকা।

এই আট প্রকল্পে মোট বরাদ্দ ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।
এছাড়া আলীকদম জেলা পরিষদ রেস্ট হাউসের পুরাতন ভবন সংস্কারে প্রায় ২০ লাখ টাকা বরাদ্দের তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে।

See also  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কাইতলা পশুর হাট সংকটে

তবে বরাদ্দের অর্থই প্রকৃত ব্যয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। প্রকৃত ব্যয় জানতে অর্থ ছাড়ের নথি, বিল-ভাউচার, মাপজোক বই ও সংশ্লিষ্ট হিসাবপত্র যাচাই প্রয়োজন।
মাদ্রাসার ছাত্রাবাস, মসজিদ ও সড়ক—আরও প্রকল্পের হিসাব চায় স্থানীয়রা
অনুসন্ধানে স্থানীয় পর্যায়ে আরও কয়েকটি প্রকল্পের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে আলীকদম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রাবাস নির্মাণ, পাহাড়তলী পাড়া জামে মসজিদ, মঞ্চপাড়া মসজিদ, রোয়াম্বো মসজিদ, মোস্তাকপাড়া মসজিদ ও সাবের মিয়া পাড়া মসজিদ সংস্কার/নির্মাণ।

এছাড়া আলীকদম-থানচি সড়কের পানবাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে রিমনের বাসা পর্যন্ত আরসিসি সড়ক নির্মাণ, জেলা পরিষদ গেস্ট হাউসের অভ্যন্তরে স্থাপনা নির্মাণ, আলীকদম শিশু পার্ক সংস্কার, বিত্তহীন রিকশাচালক সমবায় সমিতির অফিস সংস্কার এবং আলীকদম কলেজের নির্মাণ ও বাউন্ডারি ওয়ালসহ বিভিন্ন সড়ক ও গাইড ওয়াল প্রকল্পের কথাও স্থানীয় পর্যায়ে উঠে এসেছে।

তবে এসব প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ, অর্থ ছাড় ও প্রকৃত ব্যয় সরকারি নথি যাচাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা হচ্ছে না।
সরেজমিনে কাজের মান নিয়ে অভিযোগ
প্রবাহ নিউজ টিভির সরেজমিন অনুসন্ধানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জেলা পরিষদের আওতাধীন কয়েকটি প্রকল্পের কাজ চলমান থাকার চিত্র পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু কাজে ব্যবহৃত বালি, সিমেন্ট, কংক্রিটসহ নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কাজের গতি, পরিমাণ এবং অনুমোদিত প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না—তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

তবে কোনো নির্মাণকাজ নিম্নমানের কি না, তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণের জন্য প্রয়োজন কারিগরি পরীক্ষা, অনুমোদিত প্রাক্কলন যাচাই ও প্রকৌশলগত পরিমাপ।
লে-আউট নিয়ে তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলীর বক্তব্য
প্রকল্পগুলোর লে-আউট প্রদানের বিষয়ে প্রবাহ নিউজ টিভির পক্ষ থেকে তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী পরাক্রম চাকমার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

তিনি প্রকল্পগুলোর সম্মিলিত লে-আউট প্রদানের বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে আলীকদমের প্রকল্পগুলোর পৃথক বরাদ্দ, কাজের অগ্রগতি ও বিস্তারিত বাস্তবায়ন পরিস্থিতি তাঁর জানা নেই বলে জানান।
বিষয়টির বিস্তারিত জানতে জেলা পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী লেলিন চাকমার সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।

প্রকল্পের বরাদ্দ ও বিল বিষয়ে বক্তব্য পাওয়া যায়নি
প্রকল্পের বরাদ্দ, লে-আউট, কাজের অগ্রগতি, বিল-ভাউচার ও নির্মাণকাজের মান বিষয়ে বক্তব্য জানতে সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী লেলিন চাকমার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়।

তবে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
রাজনৈতিক মতাদর্শ ও সংশ্লিষ্টতা নিয়েও প্রশ্ন
প্রকল্পের আর্থিক ও বাস্তবায়ন বিষয়গুলোর পাশাপাশি সাইফুল ইসলাম রিমনের রাজনৈতিক পরিচয়, অতীত কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ছবি, পোস্ট ও কর্মসূচির তথ্য যাচাই করলে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি ধারাবাহিকতা পাওয়া যেতে পারে।

See also  নিখোঁজ সংবাদ

প্রচারিত বিভিন্ন তথ্য ও ছবিতে তাঁর ছাত্রলীগের সঙ্গে অতীত সংশ্লিষ্টতা ছিল—এমন দাবি করা হচ্ছে। আবার পরবর্তী সময়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বিভিন্ন কর্মসূচিতে তাঁর উপস্থিতির ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।
এছাড়া বর্তমানে তাঁর বিএনপি বা জামায়াতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিংবা তিনি নিজেকে এসব রাজনৈতিক পরিচয়ে উপস্থাপন করেন—এমন আলোচনাও স্থানীয় পর্যায়ে রয়েছে।

তবে এসব দাবির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কোনো রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে ছবি, কোনো অনুষ্ঠানে উপস্থিতি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পোস্ট একাই কোনো ব্যক্তির দলীয় পদ, সদস্যপদ বা আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক পরিচয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়।
কোন সময়ে কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আনুষ্ঠানিক সংশ্লিষ্টতা ছিল, কোনো পদে ছিলেন কি না, পদত্যাগ বা দল পরিবর্তনের কোনো নথি রয়েছে কি না—এসব নিশ্চিত করতে প্রয়োজন দলীয় নথি, সংশ্লিষ্ট সংগঠনের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিজস্ব বক্তব্য।

একইভাবে সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিংয়ের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টিও স্থানীয় আলোচনায় এসেছে। তবে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে ছবি বা অনুষ্ঠানে উপস্থিতিকে রাজনৈতিক পদ বা দলীয় আনুগত্যের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা যায় না।
কেন এই রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?
স্থানীয়দের একটি অংশের বক্তব্য, সরকারি বা আধা-সরকারি কোনো দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সেটি নথিভিত্তিকভাবে পরিষ্কার করা প্রয়োজন। তবে রাজনৈতিক পরিচয়কে কোনো প্রকল্পে অনিয়মের প্রমাণ হিসেবে দেখানোর সুযোগ নেই।

তাই প্রকল্পের আর্থিক হিসাব এবং রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়—দুটি পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
প্রবাহ নিউজ টিভির অনুসন্ধানে এ মুহূর্তে কোনো রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রকল্পের অনিয়মের কারণ বা প্রমাণ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না; বরং প্রচারিত দাবিগুলোর সত্যতা নথি ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের মাধ্যমে যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সামনে আনা হচ্ছে।

কাগজের হিসাব বনাম মাঠের বাস্তবতা,প্রতিটি প্রকল্পের—
Administrative Approval, Estimate, Work Order, Contractor Information, Measurement Book (MB), Running Bill, Final Bill, Bill Voucher, Completion Certificate এবং Inspection Report যাচাই করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে প্রকল্পের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা, কাজের পরিমাণ ও নির্মাণসামগ্রীর মান অনুমোদিত প্রাক্কলনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের দাবি—নিরপেক্ষ তদন্ত

See also  টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পাহাড়ি এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে বেশ কিছু কাঁচা রাস্তা

স্থানীয়দের দাবি—
৩৫টি প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ;প্রকল্পভিত্তিক বরাদ্দ ও প্রকৃত ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ;
অর্থ ছাড়ের তথ্য প্রকাশ;
কার্যাদেশ ও ঠিকাদারের তথ্য প্রকাশ;বিল-ভাউচার ও Measurement Book যাচাই;নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান পরীক্ষা;সরেজমিনে প্রকল্প পরিদর্শন;অনুমোদিত Estimate-এর সঙ্গে বাস্তব কাজের তুলনা;অনিয়ম প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ;রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রচারিত দাবিগুলোও প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট নথির মাধ্যমে যাচাই।

রিমনের বক্তব্য
সাইফুল ইসলাম রিমনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিষয়গুলো বর্তমানে অভিযোগ ও তদন্তের দাবির পর্যায়ে রয়েছে। কোনো আদালত বা ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্তকারী সংস্থা এসব অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেনি।

রিমনের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে আলীকদমে ৩৫টি কাজের অনুকূলে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে এবং কয়েকটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।

প্রকল্প ও তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নের বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

প্রবাহ নিউজ টিভির অনুসন্ধানের মূল প্রশ্ন
প্রায় ১৮ কোটি টাকার ৩৫টি প্রকল্পে কত টাকা বরাদ্দ হয়েছিল, কত টাকা ছাড় হয়েছে, কত টাকা বিল হয়েছে এবং মাঠে বাস্তবে কতটুকু কাজ হয়েছে?

একই সঙ্গে—
সাইফুল ইসলাম রিমনের রাজনৈতিক পরিচয় ও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে যে তথ্য ও দাবি প্রচারিত হচ্ছে, সেগুলোর প্রকৃত সত্যতা কী?

এই দুই প্রশ্নের উত্তরই পাওয়া সম্ভব নথি, হিসাব, সরেজমিন তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের মাধ্যমে।
অনুসন্ধান এখানেই শেষ নয়
প্রবাহ নিউজ টিভির অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।
৩৫টি প্রকল্পের সরকারি নথি, বরাদ্দ, অর্থ ছাড়, বিল-ভাউচার, Measurement Book, কার্যাদেশ, ঠিকাদারি তথ্য এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজ যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য সংগ্রহ করা হবে।

অভিযোগ সত্য হলে আইনানুগ ব্যবস্থা হোক, আর অভিযোগ সত্য না হলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও জনগণের সামনে পরিষ্কার করা হোক।

কারণ অভিযোগ নয়—নথি ও প্রমাণই শেষ কথা।

প্রতিবেদনে উল্লিখিত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও প্রকল্পসংক্রান্ত অভিযোগগুলো স্থানীয়দের বক্তব্য, প্রচারিত তথ্য ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোনো ছবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট বা অনুষ্ঠানে উপস্থিতিকে এককভাবে দলীয় পদ বা রাজনৈতিক পরিচয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা রাজনৈতিক সংগঠনের বক্তব্য ও নথি পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category