1. thpshopbd@gmail.com : admin :
ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব: জেলা বিএনপির নেতা কামরুল হাসান মাসুদকে পিটিয়েছে বিএনপি নেতা স্বপন - probahonewstv
April 26, 2026, 10:34 am

ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব: জেলা বিএনপির নেতা কামরুল হাসান মাসুদকে পিটিয়েছে বিএনপি নেতা স্বপন

Reporter Name
  • Update Time : Friday, March 13, 2026
  • 308 Time View

ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব: জেলা বিএনপির নেতা কামরুল হাসান মাসুদকে পিটিয়েছে বিএনপি নেতা স্বপন

আবু বক্কর ছিদ্দিক স্টাফ রিপোর্টার ফেনী

ফেনী ট্রাংক রোডের বড় মসজিদের সামনে রাতে উত্তেজনা; প্রতারণার অভিযোগ তুলে স্বপনের দাবি—‘প্রথমে হামলা করেছে মাসুদ’

ফেনীর সোনাগাজীতে কাজের ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে জেলা বিএনপির নেতা কামরুল হাসান মাসুদকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও ঠিকাদার এনায়েত উল্যাহ স্বপনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (রাত) আনুমানিক ১০টার দিকে ফেনী ট্রাংক রোড এলাকার বড় মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি সমিতির বিভিন্ন কাজ ও ঠিকাদারি কার্যক্রম নিয়ে দুই নেতার মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে কথাকাটাকাটির পর পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং কামরুল হাসান মাসুদকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। পরে আহত অবস্থায় মাসুদকে স্থানীয় একটি ক্লিনিক বা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে। তবে তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনায়েত উল্যাহ স্বপন দাবি করেন, সমিতির সদস্যদের সঙ্গে প্রতারণা করার কারণে মাসুদের সঙ্গে অনেকেরই বিরোধ তৈরি হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সমিতির সদস্যদের সঙ্গে স্বচ্ছভাবে কাজ না করায় কেউ আর মাসুদের সঙ্গে কাজ ভাগাভাগি করতে আগ্রহ দেখাচ্ছিল না।
স্বপন বলেন, “সমিতির সদস্যদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে মাসুদ। এ কারণে অনেকেই তার সঙ্গে কাজ করতে চায় না। এ নিয়ে সে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে আমার ওপর হামলা করে। পরে পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গড়ায়।”
অন্যদিকে কামরুল হাসান মাসুদের পক্ষ থেকে ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা বিরাজ করে। পরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, ঠিকাদারি কাজ ও সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব থেকে এমন ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযোগ পেলে পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

See also  আমিনুল ইসলাম সুজন মহোদয়ের বি/রু/দ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মি/থ্যা অভিযোগের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category