
বিশেষ প্রতিনিধি আবুল কাশেম
দীর্ঘ ১০ বছর পর নিজ গ্রামে ফিরেছেন ধামরাই উপজেলার চৌহাটের কৃতি সন্তান ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল হাসান মোকসেদ। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ধামরাইজুড়ে সৃষ্টি হয় আবেগঘন পরিবেশ। তাকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন অসংখ্য মানুষ, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বজন। প্রায় পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল, অসংখ্য প্রাইভেটকার ও ট্রাকে করে অংশ নেন তারা। পথে বুচাই পাগলার মাজার জিয়ারত, স্থানীয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে নিজ এলাকায় পৌঁছান তিনি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই প্রত্যাবর্তন মানুষের ভালোবাসা ও তার সঙ্গে স্থানীয়দের গভীর সম্পর্কের এক স্মরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।
দীর্ঘ ১০ বছরের অপেক্ষা…
অসংখ্য দিন, অসংখ্য রাত পেরিয়ে অবশেষে নিজ গ্রামে ফিরলেন ধামরাই উপজেলার চৌহাটের কৃতি সন্তান ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল হাসান মোকসেদ।
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬—তার প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ধামরাইজুড়ে দেখা যায় আবেগঘন এক পরিবেশ।
তাকে বরণ করে নিতে ধামরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসেন অসংখ্য মানুষ, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্বজনরা।
প্রায় পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল, অসংখ্য প্রাইভেটকার ও ট্রাকে করে মানুষ অংশ নেন এই অভ্যর্থনায়।
ধামরাই থেকে নিজ এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে প্রথমেই তিনি বুচাই পাগলার মাজার জিয়ারত করেন।
মাজার জিয়ারত শেষে তিনি রওনা হন তার প্রিয় নিজ এলাকার পথে।
পথজুড়ে তখন মানুষের ঢল।
বিভিন্ন ইউনিয়ন ও এলাকায় ফুলের মালা, বাদ্যযন্ত্র আর ভালোবাসায় তাকে স্বাগত জানান স্থানীয়রা।
পথিমধ্যে রাজাপুর ইউনিয়নসহ চৌহাটের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করেন এবং মতবিনিময় করেন তিনি।
দীর্ঘ পথ পেরিয়ে অবশেষে পৌঁছান নিজের বাড়িতে—নিজের মাটিতে, আপন মানুষের মাঝে।
দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষার পর এই প্রত্যাবর্তন যেন হয়ে উঠল আবেগ, ভালোবাসা আর মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্কের এক স্মরণীয় মুহূর্ত।