
মোঃ রেজাউল হক রহমত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, Probaho News24
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মুসা মিয়া (৫৯) এর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ ৩০ নভেম্বর ২০২৫ বিকেল প্রায় ৪টার দিকে হোসেনপুর গ্রামের পূর্ব পাশের জোয়ারারবিল এলাকায় কচুরিপানার ভেতর স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে তাকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় বা ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কেউ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা।
নিহতের ছেলে মোহাম্মদ উজ্জল মিয়া জানান,
“আমি এক ড্রেজার ব্যবসায়ী মোস্তফা মিয়ার ফোনে খবর পাই যে আমার বাবাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে আমি লাশ দেখি। আমি সুষ্ঠু তদন্ত এবং হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার চাই।”
ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাবেক জনপ্রতিনিধি হওয়ায় নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড স্থানীয়দের মাঝে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এটি কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, নাকি ব্যক্তিগত বিরোধ বা সম্পত্তিগত বিবাদের ফল—তদন্তে বিষয়গুলো বেরিয়ে আসা জরুরি।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন,
“লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে তদন্তের অগ্রগতি জানানো হবে। হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে বলার মতো পর্যাপ্ত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।”
পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত ও প্রযুক্তিগত তদন্তের (কল রেকর্ড, গতিবিধি ও আশপাশের তথ্য) মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে গুরুত্বসহকারে কাজ করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের কাছে শক্ত দাবি—দ্রুত তদন্ত, দোষী গ্রেপ্তার এবং এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
অনেকেই বলেন, “এ ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত না হলে মানুষ আরও ভীত হবে।”
মামলা রেকর্ড প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।