1. thpshopbd@gmail.com : admin :
ফুলগাজীতে স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে তোলপাড় - probahonewstv
July 31, 2026, 2:59 pm

ফুলগাজীতে স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে তোলপাড়

মোহাম্মদ হানিফ, সহব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম বিভাগীয়
  • Update Time : Wednesday, April 1, 2026
  • 245 Time View
ফুলগাজীতে স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে তোলপাড়

ফুলগাজীতে স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে তোলপাড়: ধর্ষণ মামলার আসামিকে ঘিরে নতুন বিতর্ক

মোহাম্মদ হানিফ সহব্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগ

একই ব্যক্তিকে তিন ভিন্ন তথ্যের প্রত্যয়নপত্র—প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ, তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা-র উত্তর ধর্মপুর গ্রামে একটি আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামিকে ঘিরে নতুন করে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত কবির আহমেদ চৌধুরীর শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত স্কুল সার্টিফিকেটে অসংগতি পাওয়ায় বিষয়টি এখন জনমনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে ধর্মপুর এডুকেশনাল স্টেট উচ্চ বিদ্যালয়-এর প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ‘সার্টিফিকেট বাণিজ্য’-এর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
📄 তিন প্রত্যয়নপত্রে তিন রকম তথ্য
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কবির আহমেদ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির নামে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে একাধিক প্রত্যয়নপত্র ইস্যু করা হয়েছে, যেগুলোর তথ্য একে অপরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
প্রথম প্রত্যয়নপত্র (৮ মার্চ ২০১৮): হাতে লেখা এই প্রত্যয়নপত্রে তাকে অষ্টম শ্রেণি পাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
দ্বিতীয় প্রত্যয়নপত্র (১৯ মার্চ ২০২৫): এতে দাবি করা হয়, ২০১৮ সালের প্রত্যয়নপত্রটি ভুয়া। উল্লেখ করা হয়, কবির আহমেদ চৌধুরী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হলেও তার বার্ষিক পরীক্ষার কোনো ফলাফল নেই।
তৃতীয় প্রত্যয়নপত্র (৯ ডিসেম্বর ২০২৫): এতে বলা হয়, তিনি অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় ৫৩০ নম্বর পেয়েছেন। তবে তিনি পাস না ফেল—তা উল্লেখ করা হয়নি, যা নতুন করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।
এই তিনটি নথির পরস্পরবিরোধী তথ্য পুরো ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।
🎙️ প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন,
“কবির আহমেদ চৌধুরী ২০০৮ সালে অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় পাস করেছেন কিনা, তা আমি নিশ্চিত নই।”
তবে তার বিরুদ্ধে ওঠা সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ তিনি সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
⚖️ এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার আসামিকে ঘিরে এমন অসংগতি গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেয়। অনেকেই মনে করছেন, যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা জরুরি।
এলাকাবাসীর দাবি—
বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করতে হবে
দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন অনিয়ম বন্ধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে
🔍 তদন্তের দাবি জোরালো
শিক্ষা সনদ নিয়ে এমন বিতর্ক শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম নয়, পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।

See also  বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধনে কুরুকপাতায় ফুটবলের মহাযজ্ঞ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category