
নিজস্ব সংবাদদাতা, গাজীপুর
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. ফোরকান মোল্লার লা/শ উদ্ধার হয়েছে কি না, তা নিয়ে নতুন তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইলিয়াস বলেন, “তার ভাই প্রাথমিকভাবে দেখে বলছে, এটা তার ভাইয়ের লা/শ। তবে উদ্ধার হওয়া ম/র/দে/হটির চেহারা পঁচে গেছে।” ফোরকান মোল্লার লা/শ উদ্ধার হয়েছে— প্রকাশ করা যাবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “তার ভাই জব্বারের রেফারেন্স দিয়ে লিখতে পারেন। কারণ জব্বার বলেছে, এটা তার ভাইয়ের লা/শ।” তিনি আরও বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে, এটি ফোরকান মোল্লার মরদেহ কি না।
এ বিষয়ে কাপাসিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, “এই মুহূর্তে কাপাসিয়া থানার একটি দল মাওয়া এলাকায় অভিযানে রয়েছে। সেখানে একটি লা/শ উদ্ধার করা হয়েছে।” তিনি জানান, নি/হ/ত শারমিনের বাবা শাহদাত মোল্লা বাদী হয়ে একটি হ/ত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গৃহকর্তা মো. ফোরকান মোল্লাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।
নি/হ/তরা হলেন—ফোরকানের স্ত্রী শারমিন (৩৫), সন্তান মিম (১৬), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শারমিনের ভাই রসুল (২২)। গত শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামের ওই বাড়িতে এ হ/ত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পারিবারিক কলহের জেরে হ/ত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। এদিকে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের পর প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মোল্লা গত ১১ মে পদ্মা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।