
সাটুরিয়ায় খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ
জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রধান , মানিকগঞ্জ
মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার সাটুরিয়া সদর ইউনিয়নে চলমান খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মিজ্ আফরোজা খানম রিতা এমপি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি।
পরিদর্শনকালে দুই মন্ত্রী খাল খনন প্রকল্পের অগ্রগতি, পানি প্রবাহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকল্পটির সম্ভাব্য ইতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তারা খাল পুনরুদ্ধার ও সংস্কার কার্যক্রমকে এলাকার কৃষি, পরিবেশ ও জনজীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
এ সময় সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুন আরা সুলতানা, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম বিপিএম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাডভোােট মোঃ জামিলুর রশিদ খান। সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোঃ অনিক ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোসারফ হোসেন, তদন্ত অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৌমিতা গুহ ইভা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল কুদ্দুস খান মজলিস মাখন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল বাশার সরকারসহ উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
পরিদর্শন শেষে খালের পাড়ে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন দুই মন্ত্রী। এ সময় তারা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে অধিকহারে বৃক্ষরোপণের আহ্বান জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারা খাল খনন কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট ও নাব্যতা সংকটের কারণে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং কৃষিকাজে নানা সমস্যার সৃষ্টি হতো। খাল পুনঃখননের ফলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্যও রক্ষা পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।