1. thpshopbd@gmail.com : admin :
গাইবান্ধায় শহীদদের কবরের টাকা আত্মসাৎ ও আওয়ামী পুনর্বাসনের অভিযোগ: বিচারের দাবিতে ক্ষুব্ধ শহীদ পরিবার। - probahonewstv
June 16, 2026, 7:58 am

গাইবান্ধায় শহীদদের কবরের টাকা আত্মসাৎ ও আওয়ামী পুনর্বাসনের অভিযোগ: বিচারের দাবিতে ক্ষুব্ধ শহীদ পরিবার।

Reporter Name
  • Update Time : Tuesday, June 16, 2026
  • 18 Time View

গাইবান্ধায় শহীদদের কবরের টাকা আত্মসাৎ ও আওয়ামী পুনর্বাসনের অভিযোগ: বিচারের দাবিতে ক্ষুব্ধ শহীদ পরিবার।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি, মোঃ বেলাল মিয়া।

২৪-এর জুলাই গণ-আন্দোলনের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে গাইবান্ধায় শুরু হয়েছে এক নজিরবিহীন বিতর্ক ও ক্ষোভ। জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি) ও ছাত্র শক্তির স্থানীয় কিছু নেতার বিরুদ্ধে শহীদদের কবরের উন্নয়নমূলক কাজের টাকা আত্মসাৎ এবং পতিত আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন স্বয়ং শহীদ পরিবারের সদস্যরা। এই বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন তারা।
ভুক্তভোগী শহীদ পরিবারের অভিযোগ, গাইবান্ধা জেলা ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান জুলাই আন্দোলনে শহীদ সাজ্জাদ হোসেন সজলসহ মোট ছয়জন শহীদের কবরের ঠিকাদারি কাজ নেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, কবরের আংশিক কাজ করার পর বাকি টাকা তিনি ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি কবরের নেমপ্লেটে শহীদদের বাবা-মায়ের পরিচয় পর্যন্ত রাখা হয়নি, কেবল নাম ব্যবহার করে দায়সারা কাজ করা হয়েছে। ফলে আন্দোলনের এত মাস পরেও সন্তানদের কবর সম্পূর্ণ না হওয়ায় গভীর ক্ষোভ ও মানসিক যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছেন শহীদদের মা-বাবা।
এখানেই শেষ নয়, গাইবান্ধা জেলা জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক খাদিমুল ইসলাম খুদির বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও জাসদের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে পুনর্বাসন করার প্রকাশ্য অভিযোগ উঠেছে। আন্দোলনের চেতনা ধারণ করার পরিবর্তে এখানে ‘জুলাইয়ের গলা চিপে ধরা হচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষুব্ধ স্বজনেরা।
পাশাপাশি, সাদুল্লাপুরের এ আর মোঃ আতিক রহমানসহ আরও বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা বর্তমানে গাইবান্ধার এনসিপি নেতা মোঃ ফিয়াদুর রহমান দিবসের ছায়াতলে আশ্রয় নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, ফিয়াদুর রহমান দিবস নিজে ছাত্রলীগ থেকে উঠে এসে এখন এনসিপির নেতৃত্বে বসেছেন এবং পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের রক্ষা করছেন।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে জানান, “যে আওয়ামী লীগ আমাদের সন্তানসহ প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছে, ৩০ হাজার মানুষকে পঙ্গু করেছে, তাদের শিকড়সহ উপড়ে না ফেললে আমরা শান্তি পাবো না। অথচ আজ শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করে কবরের টাকা মেরে খাওয়া হচ্ছে।” এই বিষয়ে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) দ্বারস্থ হলে তিনি আশ্বস্ত করলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো বাস্তবায়ন মেলেনি।
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই বিতর্কিত ও সুবিধাবাদীদের দল থেকে বহিষ্কার করে আইনি ব্যবস্থা না নিলে গাইবান্ধার মাটিতে এনসিপি বা ছাত্র শক্তির কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষায় অবিলম্বে এই দুর্নীতির বিচার এবং আওয়ামী লীগের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

See also  কাপাসিয়ায় পাঁচ খু/ন

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category