1. thpshopbd@gmail.com : admin :
ডা. পদবি নিয়ে জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ নোটিশ - probahonewstv
July 30, 2026, 10:57 am

ডা. পদবি নিয়ে জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ নোটিশ

আবু বক্কর ছিদ্দিক, স্টাফ রিপোর্টার, ফেনী
  • Update Time : Sunday, February 8, 2026
  • 113 Time View
ডা. পদবি নিয়ে জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ নোটিশ

ডা. পদবি নিয়ে জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ নোটিশ

আবু বক্কর ছিদ্দিক স্টাফ রিপোর্টার ফেনী

মিথ্যা অপপ্রচার ও সম্মানহানির ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, শুনানিতে বিষয়টি নিষ্পত্তির আশাবাদ ফেনী-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিকের নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহারকে কেন্দ্র করে মিথ্যা অপপ্রচার ও সম্মানহানির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্ব পালনকারী যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ প্রদান করেন বলে জানা গেছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক তার লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার করছেন। তবে নির্বাচনি হলফনামায় তিনি এ পদবি উল্লেখ করেননি, যা নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। পাশাপাশি এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২–এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নোটিশের মাধ্যমে তাকে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সামনে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে জামায়াত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, “আচরণবিধি লঙ্ঘন, শোকজ ও শাস্তি নির্বাচনি প্রক্রিয়ারই একটি অংশ। অভিযোগ বা শোকজ করলেই তা প্রমাণিত হয়ে যায় না। অনেক সময় বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শোকজ করে থাকেন। শুনানিতে সবকিছু নিষ্পত্তি হয়ে যায়।”
তিনি আরও বলেন, “ডা. পদবি নিয়ে যে অর্থে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা একটি সেটেল্ড ইস্যু। আমার বিজয়ের সম্ভাবনায় ভীত হয়ে প্রতিপক্ষ একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। ইনশাল্লাহ, খুব শিগগিরই এসব ষড়যন্ত্র ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।”
নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে তিনি জানান, তিনি ‘বি.এইচ.এম.এস’ (Bachelor of Homeopathic Medicine and Surgery) ডিগ্রিধারী, যা পাঁচ বছরের কোর্স ও এক বছরের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করার পর প্রদান করা হয়। হোমিওপ্যাথিক গ্র্যাজুয়েশন কোর্স শেষ করার পর নামের আগে ‘ডা.’ পদবি ব্যবহার আইনগতভাবে স্বীকৃত।
ডা. ফখরুদ্দিন মানিক বলেন,
“হোমিওপ্যাথিক গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি প্রদান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টি, যার অধীনে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সও পরিচালিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ভর্তি সার্কুলারের মাধ্যমে দেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে (মিরপুর-১৪, ঢাকা) এই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।” তিনি আরও দাবি করেন, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা কাউন্সিল আইন, ২০২৩ অনুযায়ী ‘ডা.’ পদবি আইন দ্বারা স্বীকৃত, যা বিগত সংসদে পাস হয়ে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা মামলার কার্যক্রমও আদালত স্থগিত করেছেন বলে তিনি জানান। হলফনামায় নিজের সার্টিফিকেট ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সংযুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে পেশা হিসেবে ‘চিকিৎসক’ উল্লেখ রয়েছে। এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রতিবেদকের কাছে উপস্থাপন করে ডা. ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, “অযথা হয়রানি, সম্মানহানি ও মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, ইনশাল্লাহ।”

See also  ফেনী–০২ আসনে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category