1. thpshopbd@gmail.com : admin :
ফুলবাড়িয়ায় চাকরির প্রলোভনে কৃষকের ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ, আদালতে মামলা - probahonewstv
April 27, 2026, 12:51 pm

ফুলবাড়িয়ায় চাকরির প্রলোভনে কৃষকের ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ, আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : Sunday, January 11, 2026
  • 158 Time View
ফুলবাড়িয়ায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক কৃষকের কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পিয়ন পদে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ গ্রহণ, বিচারকার্য চলমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক কৃষকের কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নূর ইবনে সাইফুদ্দিন সোহান (সোহান মিয়া), তিনি ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১০ নম্বর কালাদহ ইউনিয়নের হোরবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা এবং বর্তমানে ময়মনসিংহ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিয়ন পদে কর্মরত। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগে একই গ্রামের কৃষক দুলাল মিয়ার ছেলে মামুন মিয়াকে পিয়ন পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখান সোহান। এ সময় রূপালী ব্যাংকের চেক, স্টাম্প পেপারে চুক্তিনামা ও স্বাক্ষরের মাধ্যমে মামুন মিয়ার কাছ থেকে ধাপে ধাপে মোট ৮ লাখ টাকা গ্রহণ করেন তিনি। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন সময়ে মামুন মিয়াকে পিয়ন পদের ভুয়া এডমিট কার্ডও সরবরাহ করা হয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও চাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন মামুন ও তার পরিবার। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার সালিশি বৈঠক হলেও টাকা ফেরত পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে দুলাল মিয়া প্রথমে আদালতের মাধ্যমে উকিল নোটিশ পাঠান এবং পরে ময়মনসিংহ দায়রা জজ আদালতে সোহান মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার নম্বর ১০৬০/২০২৫ ইং। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকে সোহান মিয়া বিভিন্ন সময় দুলাল মিয়াকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং হামকি-ধামকি দিয়ে আসছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহান মিয়ার বক্তব্য জানতে তার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে অভিযুক্তের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার টাকা লেনদেনের বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, মামুনের চাকরির বিষয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল এবং এর মধ্যে কিছু টাকা ফেরতও দেওয়া হয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, এখনো ২ লাখ ৮২ হাজার টাকা বাকি রয়েছে। এদিকে ভুক্তভোগী দুলাল মিয়া বলেন, আদালতের ওপর তার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে তিনি পুরো ৮ লাখ টাকা ফেরত পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

See also  লেমুয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার নূরানী ভবনের অসম্পূর্ণ কাজ পুনরায় শুরু

Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category