
সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে বড় পদক্ষেপ! কেন্দ্রীয় কাউন্সিল গঠন, নেতৃত্বে জাফর-ইমন
মোহাম্মদ হানিফ সহব্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগের
দেশজুড়ে সাংবাদিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের অঙ্গীকার—নতুন নেতৃত্বকে মোহাম্মদ হানিফের অভিনন্দন, শিগগিরই আসছে ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি
ঢাকা, শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬):
দেশে সাংবাদিকদের ওপর বাড়তে থাকা নির্যাতন ও ঝুঁকি মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে “সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, বাংলাদেশ”-এর কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত এই কাউন্সিলে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আহমেদ আবু জাফর এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আলী আজগর ইমন।
শনিবার দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভা শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সাংবাদিকরা যুক্ত হয়ে সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদান করেন।
নতুন নেতৃত্বকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ ও দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকার ফেনী জেলা সংবাদদাতা এবং প্রবাহ নিউজ টিভির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ হানিফ।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,
“সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে যোগ্য ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি সময়োপযোগী ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি পদক্ষেপ।
আমি সভাপতি আহমেদ আবু জাফর এবং সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর ইমনকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। তাদের নেতৃত্বে সংগঠনটি আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আমার বিশ্বাস।”
তিনি আরও বলেন,
“বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা নানামুখী ঝুঁকি ও নির্যাতনের সম্মুখীন হচ্ছেন। এ অবস্থায় এমন একটি সংগঠনের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। আমি আশা করছি, নতুন কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে সারাদেশে কার্যক্রম বিস্তৃত করবে এবং সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করবে।”
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হবে। এতে সাংবাদিকদের পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যাতে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা যায়।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় দেশে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। এরপর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় শাখা কমিটি গঠন করে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ, স্বাধীন ও নির্যাতনমুক্ত কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই সংগঠনটি ভবিষ্যতেও সক্রিয়ভাবে কাজ চালিয়ে যাবে বলে নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।