1. thpshopbd@gmail.com : admin :
দাগনভুঁইয়ার আলমপুরে গৃহবধূকে মারধর ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির অভিযোগ পুলিশ ও মানবাধিকার সংস্থার যৌথ তদন্ত, প্রাথমিক সত্যতার দাবি - probahonewstv
July 30, 2026, 11:26 am

দাগনভুঁইয়ার আলমপুরে গৃহবধূকে মারধর ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির অভিযোগ পুলিশ ও মানবাধিকার সংস্থার যৌথ তদন্ত, প্রাথমিক সত্যতার দাবি

মোহাম্মদ হানিফ ( সহ-ব্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগ )
  • Update Time : Monday, December 8, 2025
  • 123 Time View
ফেনীর দাগনভুঁইয়া উপজেলার আলমপুরে গৃহবধূকে মারধর ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির অভিযোগ। পুলিশ ও মানবাধিকার সংস্থার যৌথ তদন্ত চলছে।

দাগনভুঁইয়ার আলমপুরে গৃহবধূকে মারধর ও স্বর্ণালঙ্কার চুরির অভিযোগ
পুলিশ ও মানবাধিকার সংস্থার যৌথ তদন্ত, প্রাথমিক সত্যতার দাবি

 মোহাম্মদ হানিফ, সহ–ব্যুরো প্রধান, চট্টগ্রাম বিভাগ

ফেনীর দাগনভুঁইয়া উপজেলার উত্তর আলমপুর গ্রামে গৃহবধূ নাজমা আক্তার স্মৃতিকে মারধর এবং তার আলমারি ভেঙে প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত ২৩ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে এবং মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকেও সরেজমিন তদন্ত চালানো হয়েছে। স্বামীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় আলমারি ভাঙচুরের অভিযোগ ভুক্তভোগী নাজমা আক্তারের অভিযোগ, তার কুয়েত প্রবাসী স্বামী শাহজাহান ফোন করলে তিনি বাড়ির বাইরে গিয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় তার দেবর মোহাম্মদ কিরণ ও তার স্ত্রী রোজী ঘরে প্রবেশ করে আলমারির তালা ভেঙে ফেলে। পরে আলমারিতে থাকা প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত মালামাল নিখোঁজ হয় বলে তিনি দাবি করেন। হামলার শিকার হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন গৃহবধূ প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ঘরে ফিরে এসে ভাঙা আলমারি দেখে কারণ জানতে চাইলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে নাজমা আক্তার অভিযোগ করেছেন। একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরে পেয়ে তিনি দেখতে পান, দুই জ্যা ও ননদ তাকে গালিগালাজ করছে এবং আগের ভাবির মতো তাকেও বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ‘মেরে লাশ গুমের’ হুমকির অভিযোগ নাজমা আক্তারের দাবি, মারধরের পর দেবর মোহাম্মদ কিরণ মোবাইলে কারো সঙ্গে কথা বলে বলেন, “৮–১০ জন মানুষ লাগবে… নাজমাকে জানে মেরে লাশ গুম করতে হবে।” এরপর তাকে একটি কক্ষে বন্ধ করে রাখা হয়। তিনি জীবন–নাশের আশঙ্কায় তার বাবাকে ফোনে বিষয়টি জানান।

See also  লেমুয়া দ. চাঁদপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

পুলিশি উদ্ধার ও মামলা
খবর পেয়ে ভুক্তভোগীর বাবা দাগনভুঁইয়া থানায় ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশে দাগনভুঁইয়া থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মানবাধিকার সংস্থার সরেজমিন তদন্ত ঘটনার পর নাজমা আক্তার একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সহায়তাকারী সংস্থার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। সংস্থার দাগনভুঁইয়া সভাপতি সাইফুল ইসলাম বিষয়টি চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেমকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে ফেনী আঞ্চলিক জোনের পরিচালক মোহাম্মদ হানিফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল—যাদের মধ্যে ছিলেন মানবাধিকার কর্মী শহিদুল ইসলাম, সবুজ, নারী ও শিশু নির্যাতন শাখার কর্মকর্তা সুমি, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, উসমান, সাংবাদিক মোহাম্মদ ইসমাইলসহ সংশ্লিষ্টরা—এবং দাগনভুঁইয়া থানার একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তাদের দাবি, অভিযোগের বেশ কিছু বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

পুলিশের বক্তব্য দাগনভুঁইয়া থানার এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল মামলা। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসারে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” আইনি ও সাংবাদিকতার নৈতিক সতর্কতা
এই প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত নয়। সকল ব্যক্তি ও পক্ষের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। আদালতের চূড়ান্ত রায় ছাড়া কাউকে দোষী বা দায়ী হিসেবে উল্লেখ করা যাবে না—সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে এই সতর্কীকরণ যুক্ত করা হয়েছে।


Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category