
তানজিলা ইসলাম ( সহ-সম্পাদিকা )
ঘোষণার মাধ্যমে ভোটগ্রহণ ও তাদের যাতায়াত সুবিধার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) কে সরকারি ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে অংশ নিতে পারে। ইতোমধ্যে এই দিন সরকারি, আধা-সরকারি এবং বেসরকারি অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
তার পাশাপাশি, ভোটের এক দিন আগে, ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দিনটিকেও সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তে ভোটাররা মূল নিবাসে ফিরে গিয়ে ভোট দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবে বলে মত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের।
সরকারি ছুটির এই ব্যবস্থার ফলে সাধারণ চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও অন্য সকল ভোটার দুই দিন টানা ছুটি পাবে। ফলে তারা নিজেদের ভোটাধিকার সাধারণ নাগরিকভাবে প্রয়োগ করতে প্রবলভাবে সক্ষম হবেন বলে প্রশাসন আশা করছে।
শিল্পখাতে কর্মরত শ্রমিকদের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চলে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত টানা তিন দিনের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে, যাতে ভোট কেন্দ্রসমূহে পৌঁছানো ও পরিবার-পরিজনদের সঙ্গে সময় কাটানো সহজ হয়।
সরকারি এই ঘোষণার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দ্রুতই অফিস আদেশ জারি করবে, যেখানে সকল সরকারি প্রতিষ্ঠান, আধা-সরকারি অফিস, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সংস্থা নির্বাচনের দিনসহ এর পূর্বদিনেও বন্ধ থাকবে।
জাতীয় নির্বাচন কমিশনও ইতোমধ্যেই নির্বাচন-মুহূর্তিক প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ছুটি বাতিল করে পুরো সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির মধ্যেও কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে।
Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।