1. thpshopbd@gmail.com : admin :
ডেসকোতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে নীরবতা: এক মাসেও নেই ব্যবস্থা, প্রশ্নে জবাবদিহিতা - probahonewstv
July 29, 2026, 8:25 pm

ডেসকোতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে নীরবতা: এক মাসেও নেই ব্যবস্থা, প্রশ্নে জবাবদিহিতা

স্টাফ রিপোর্টার: সাজেদুল ইসলাম
  • Update Time : Sunday, April 12, 2026
  • 53 Time View
ডেসকোতে দুর্নীতি অভিযোগে নীরবতা

ডেসকোতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে নীরবতা: এক মাসেও নেই ব্যবস্থা, প্রশ্নে জবাবদিহিতা

স্টাফ রিপোর্টার: সাজেদুল ইসলাম

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)-এ অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরির গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও এক মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে সংস্থাটির জবাবদিহিতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে। একাধিক জাতীয় পত্রিকায় অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম (প্রশাসন) সাজেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণে ডেসকোর এই নীরবতা অনেকের কাছে রহস্যজনক মনে হচ্ছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ডেসকোর প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত এই কর্মকর্তা গত কয়েক মাস ধরে নিয়মিতভাবে বহিরাগত ব্যক্তিদের নিয়ে অফিস কক্ষে বৈঠক করছেন। এসব বৈঠকে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা ও প্রভাবের অভিযোগও রয়েছে, যা একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো— রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি কোটি টাকার আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল চুরির সঙ্গে জড়িত একটি চক্রকে সহায়তা করছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অতীতে ভিন্ন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকলেও বর্তমানে ক্ষমতার সুবিধা অনুযায়ী অবস্থান বদলে নিজের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।

অভিযোগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো— জিয়া পরিবারের নাম ভাঙিয়ে প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি নিজেকে জিয়া পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির পথ সুগম করেছেন। এতে প্রশ্ন উঠেছে— প্রকৃতপক্ষে তিনি সরকারি দলের ঘনিষ্ঠ কি না, নাকি রাজনৈতিক পরিচয় ও পরিবারের নাম ব্যবহার করে আড়ালে ভিন্ন কোনো স্বার্থ হাসিল করছেন? এই অপকর্মের পেছনে অন্য কোনো গোপন নেটওয়ার্ক বা প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট মহলে জোর আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মুঠোফোনে তাদের কাউকেই পাওয়া যায়নি, যা বিষয়টিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। এছাড়া অফিস শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ডেসকোর সিকিউরিটি টিমের নারী সদস্যদের ব্যক্তিগত কক্ষে ডিউটি করানো এবং অফিস সময়ের বাইরে ব্যক্তিগত গাড়িতে তাদের সঙ্গে চলাফেরার মতো বিষয়গুলো নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, যা প্রতিষ্ঠানের নৈতিক মানদণ্ডের পরিপন্থী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

See also  নাইক্ষ্যংছড়িতে ১১ বিজিবির অভিযানে ১৫টি মিয়ানমারের গরু জব্দ

অভিযোগকারীদের দাবি, ম্যানেজার পদে থাকা সত্ত্বেও তিনি জোরপূর্বক ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, যা প্রশাসনিক নিয়ম-কানুনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এতসব গুরুতর অভিযোগের পরও ডেসকো কর্তৃপক্ষের দীর্ঘ নীরবতা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন— একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে এমন অভিযোগ ওঠার পরও কেন তদন্তে বিলম্ব? কার স্বার্থে এই নীরবতা? যদিও এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ডেসকো কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ; তবে কবে নাগাদ দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হবে— সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সময়সীমা দেওয়া হয়নি। এদিকে সচেতন মহল বলছে, অভিযোগের দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত না হলে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুরক্ষা এবং প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা— দুটোই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে

Probaho News TV — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category