
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রাস্তার কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে
রিহান সিকদার, স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল।
রাস্তা নির্মাণের মাত্র সাত দিনের মাথায় বৃষ্টিতে উঠে যাচ্ছে নতুন পিচ। এমন অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিল আটকে দিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী।
উপজেলার গোড়াই থেকে রাকের টেকি পর্যন্ত ৪৬০ মিটার দীর্ঘ এই সড়কটির পুনর্নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৫ লক্ষ টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করেছে ‘বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ’। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাদার ওপর সামান্য খোয়া ও বালি দিয়ে তড়িঘড়ি করে কার্পেটিং করায় প্রথম বৃষ্টিতেই রাস্তাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে রাস্তার বিভিন্ন স্থান থেকে হাত দিয়েই পিচ তুলে ফেলা যাচ্ছে, এমনকি যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ির চাকার সঙ্গে পিচ উঠে যাচ্ছে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা বলেছেন, আমরা ভেবেছিলাম সড়কটি আমাদের দুর্ভোগ কমাবে, কিন্তু কাজের মান এতই খারাপ যে সাত দিনেই সব শেষ। বিষয়টি নজরে আসার পর উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং কাজের এমন বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সব বিল আটকে দিয়েছেন এবং কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও কার্যসহকারীকে শোকজ করেছেন।
উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুল সাজ রিজন জানান, সরকারি কাজের কোনো ধরনের অনিয়ম আমরা বরদাশত করব না। ঠিকাদারকে বিল দেওয়া হবে না এবং তাকে পুনরায় নিজের খরচে সম্পূর্ণ কার্পেটিং করে দিতে হবে। যদি ঠিকাদার কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন না করেন, তবে তাকে আর্থিকভাবে জরিমানা করা হবে এবং কালো তালিকাভুক্ত করা হবে।
সরকারি উন্নয়নের সুফল যেন সাধারণ মানুষ পায়, প্রকৌশলীর এই কঠোর অবস্থান যেন কাজের মান নিশ্চিতে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে।