
আঙ্গুর ইসলাম আশিক , নিজস্ব প্রতিবেদক;
আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কবিরপুর দেওয়ানপাড়া গ্রামের বেলতলী পুকুর পুনঃখননকাজে অনিয়ম, মাটি বিক্রির অভিযোগ এবং ১০ চাকার ভারী ড্রাম ট্রাক চলাচলে গ্রামীণ সড়ক ও বসতবাড়ি ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী। আজ সকাল ১১টায় আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে পুকুর খননের অনিয়ম তদন্ত, মাটির যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত, ভারী ট্রাক চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি অর্থে নির্মিত সড়ক রক্ষার দাবি জানানো হয়। পুকুরটি আগে থেকেই পুকুরপাড় ও আশপাশের সমতল ভূমির তুলনায় প্রায় ২০ ফুট গভীর। পুনঃখননকাজের প্রাক্কলনে ১ দশমিক ২২০ মিটার গভীরতার কথা উল্লেখ রয়েছে বলে আবেদনকারীদের দাবি। তাঁদের আশঙ্কা, অনুমোদিত সীমার বাইরে খনন করা হলে আশপাশের স্থাপনা ও বসতবাড়ির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। এলাকাবাসীর পক্ষে খালিদ সিকদার জানান, উন্নয়নকাজের নামে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়তে পারে না। সরকারি প্রকল্পের কাজ নিয়ম মেনে পরিচালনা করতে হবে এবং গ্রামের মানুষের জানমাল ও যোগাযোগব্যবস্থার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী জানতে চান, উত্তোলিত মাটি কোথায় নেওয়া হচ্ছে, কীভাবে এর ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে এবং মাটি বিক্রির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন রয়েছে কি না। এসব বিষয়ে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য প্রকাশের দাবি জানান তাঁরা। গ্রামবাসীর পক্ষে রফিক দেওয়ান ও মোশারফ দেওয়ান জানান , মাটিভর্তি ভারী ড্রাম ট্রাক চলাচলের কারণে এলজিইডির অর্থায়নে নির্মিত গ্রামের একমাত্র পাকা সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সড়কটি নষ্ট হলে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ ও জরুরি প্রয়োজনে চলাচলকারী ব্যক্তিদের দুর্ভোগ বাড়বে। তাঁদের অভিযোগ, সড়কের ধারণক্ষমতা ও জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করলে সরকারি অর্থে নির্মিত অবকাঠামো ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। তাই প্রয়োজনীয় যাচাই না হওয়া পর্যন্ত ভারী ট্রাক চলাচল নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
মসজিদ ও বসতবাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেলতলী পুকুরসংলগ্ন বাইতুল ফালাহ জামে মসজিদ এবং আশপাশের বসতবাড়ির নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে আগে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দেওয়া লিখিত আবেদনে পুকুরটি নির্ধারিত প্রাক্কলনের বাইরে গভীর করার চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, পুকুরটি আগে থেকেই পুকুরপাড় ও আশপাশের সমতল ভূমির তুলনায় প্রায় ২০ ফুট গভীর। পুনঃখননকাজের প্রাক্কলনে ১ দশমিক ২২০ মিটার গভীরতার কথা উল্লেখ রয়েছে বলে আবেদনকারীদের দাবি। তাঁদের আশঙ্কা, অনুমোদিত সীমার বাইরে খনন করা হলে আশপাশের স্থাপনা ও বসতবাড়ির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে এলাকাবাসী পুকুর খননের গভীরতা ও কাজের মান যাচাই, মাটি পরিবহন ও বিক্রির অভিযোগ তদন্ত, গ্রামের সড়কের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে নিয়মিত তদারকির দাবি জানান। এ বিষয়ে, সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম জানান, নিয়ম বহির্ভূত যদি কেউ পুকুর খননের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজের বাইরে যদি কেউ অবৈধভাবে মাটি বিক্রি করে সেই ঠিকাদারির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে,জনসার্থে যদি কেউ মানব বন্ধন করে থাকে তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে,যদি কেউ স্বার্থ হাসিল করতে মানব বন্ধন করেন, তাদের বিষয়েও ব্যবস্থা নেয়া হবে।