1. thpshopbd@gmail.com : admin :
মন্ত্রী হয়ে প্রথমবার বান্দরবানে সাচিং প্রু জেরী, রাজপুত্রকে বরণে জনতার ঢল, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও গণসংবর্ধনা - probahonewstv
September 4, 2026, 12:50 am

মন্ত্রী হয়ে প্রথমবার বান্দরবানে সাচিং প্রু জেরী, রাজপুত্রকে বরণে জনতার ঢল, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও গণসংবর্ধনা

মোঃমাহফুজুর রহমান মোর্শেদ বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:
  • Update Time : Wednesday, September 2, 2026
  • 26 Time View
মন্ত্রী হয়ে প্রথমবার বান্দরবানে সাচিং প্রু জেরী, রাজপুত্রকে বরণে জনতার ঢল, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও গণসংবর্ধনা

মন্ত্রী হয়ে প্রথমবার বান্দরবানে সাচিং প্রু জেরী, রাজপুত্রকে বরণে জনতার ঢল, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও গণসংবর্ধনা

মোঃমাহফুজুর রহমান মোর্শেদ
বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি:

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনী এলাকা বান্দরবানে আগমন করেছেন

বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী। তাঁর আগমনকে ঘিরে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বান্দরবানে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণে মন্ত্রীকে দেওয়া হয় বর্ণাঢ্য গণসংবর্ধনা।

চট্টগ্রাম থেকে সড়কপথে বান্দরবানে প্রবেশের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ ফুলের শুভেচ্ছায় মন্ত্রীকে বরণ করে নেন। মোটরসাইকেল ও গাড়িবহর নিয়ে নেতাকর্মীরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে মন্ত্রীকে গণসংবর্ধনাস্থলে নিয়ে আসা হয়।

গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলার সাত উপজেলা ও বিভিন্ন পৌর এলাকা থেকে বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে অংশ নেন। পাহাড়ি-বাঙালি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

বান্দরবান জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. ওসমান গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রশীদ, বিএনপি নেতা আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান মিঠুন, মো. জাহাঙ্গীর, নাছির উদ্দীন চৌধুরী, সা শৈ প্রু, মো. নেজাম উদ্দিন চৌধুরীসহ জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এ ছাড়া বান্দরবান জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী কাজী নিরুতাজ বেগম (নিলুতাজ বেগম লীলু), জেলা মহিলা দলের নেত্রী -উম্মে কুলসুম সুলতানা লীনা (উম্মে কুলসুম নীলা) সহ নারী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সাবেক জনপ্রতিনিধি ও বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বান্দরবান জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মো. আবুল কালাম, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফাইল আহমদ, থানচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খামলাই ম্রো, রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শৈসাঅং, রোয়াংছড়ি উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মানন্ত তঞ্চঙ্গ্যা, থানচি উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ক্যসাউ মার্মা এবং সাবেক রুমা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি থুইমঅং।
লামা উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে রুহুল আমিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

See also  টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি সম্রাট গ্রেফতার

এ ছাড়া জেলা বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, মৎস্যজীবী দল, ওলামা দল, তাঁতী দল ও জাসাসের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। জেলা পর্যায়ের সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দের মধ্যে জহির উদ্দিন মাসুম, আব্দুল শুক্কুর, মোস্তফা কামাল, আবুল হাসেম, ইয়াছিনুল হক চৌধুরী, আলী হায়দার বাবুল, অমিত ভূষন তঞ্চঙ্গ্যা, শহিদুল ইসলাম, আব্দুল আলিম, থুইমংপ্রু, রুবেল মহাজন, শ্যামল তঞ্চঙ্গ্যা, মো. হেলার উদ্দিন স্বাধীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এ ছাড়া সাত উপজেলা থেকে বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক গণসংবর্ধনায় অংশ নেন।

‘বান্দরবানকে শান্তি ও সম্প্রীতির জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই’ গণসংবর্ধনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বলেন, বান্দরবানকে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের একটি মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, পর্যটন, কর্মসংস্থান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাহাড়ি-বাঙালি সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সমঅধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করে বান্দরবানকে নতুনভাবে সাজানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে শান্তি ও সম্প্রীতি। তাই দল-মত ও সম্প্রদায়ের বিভেদ ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ
সাচিং প্রু জেরীর মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার বান্দরবানে আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। বিভিন্ন সড়কে তোরণ, ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়।

আলীকদম, লামা, নাইক্ষ্যংছড়ি, থানচি, রুমা ও রোয়াংছড়িসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা পৃথক পৃথক মিছিল নিয়ে গণসংবর্ধনায় যোগ দেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে সাচিং প্রু জেরীর দায়িত্ব গ্রহণ এবং প্রথমবার নিজ নির্বাচনী এলাকায় আগমনকে ঘিরে এ গণসংবর্ধনা ছিল বান্দরবানের রাজনৈতিক অঙ্গনে উল্লেখযোগ্য আয়োজন।

See also  ধলিয়া-লেমুয়া সড়কের উদ্বোধন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ

নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠান পরিণত হয় এক বর্ণাঢ্য জনসমাবেশে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category