
“আমি যদি ফেনী–২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পাই এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হই,
তাহলে ফেনীকে একটি মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তুলব।” সম্প্রতি প্রবাহ নিউজ ২৪–এর এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি ফেনীর উন্নয়ন পরিকল্পনা, রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং দলের প্রতি দীর্ঘদিনের অবদান নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।
ফেনীর জন্য তিন দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা : প্রশ্নের জবাবে গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক বলেন— “আমাকে যদি দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত হই,
তাহলে আমার প্রথম কাজ হবে ফেনী সরকারি হাসপাতালকে সরকারি মেডিকেল কলেজে রূপান্তর করা। দ্বিতীয়ত, ফেনী সরকারি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা,
এবং তৃতীয়ত, লালপোল এলাকায় ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া, যেখানে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটে। এটি ফেনীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি।” তিনি বলেন, “আমি চাই ফেনী যেন শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে
একটি মডেল জেলায় পরিণত হয়।”
ত্যাগ ও সংগ্রামের গল্প : দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নিজের ভূমিকা প্রসঙ্গে গাজী হাবিবুল্লাহ মানিক বলেন— “এটা ফেনীর জনগণ ও তৃণমূল বিএনপি ভালোভাবেই জানে আমি কেমন ভূমিকা রেখেছি।
আমি কর্মীবান্ধব লোক, কর্মীদের মূল্যায়ন করি, আন্দোলন–সংগ্রামে সবসময় রাজপথে ছিলাম তাদের সঙ্গে।” তিনি আরও বলেন— “শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসনামলে আমার নামে অসংখ্য মিথ্যা মামলা হয়েছে,
বহুবার কারাগারে গিয়েছি। একটি মামলার জামিন নিলে কারাগারের গেটেই আরেকটি মামলা দিয়ে আমাকে পুনরায় গ্রেফতার করা হতো। তবুও আমি থেমে থাকিনি। আমি আগেও ছিলাম ফেনীর জনগণের পাশে, এখনো আছি, ভবিষ্যতেও থাকব ইনশাআল্লাহ।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন,
গাজী হাবিবুল্লাহ মানিকের দীর্ঘ তৃণমূল অভিজ্ঞতা,
জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা
আগামী নির্বাচনে ফেনীর রাজনীতিতে নতুন গতি আনবে।
অনেকে বলছেন,
“দীর্ঘদিন মাঠে থাকা এই তৃণমূল নেতার কর্মীবান্ধব ভাবনা
এবং আত্মত্যাগ আগামী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”