
ফেনীর পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের নোয়াপুর গ্রামে ঘটেছে এক অবিশ্বাস্য ও উদ্বেগজনক ঘটনা। একটি ছোট টিনের ঘরে মাত্র একটি বাল্ব জ্বালানো থাকলেও সেই ঘরের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৪শ ৭ টাকা। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঘরটি প্রায় পাঁচ বছর ধরে ফাঁকা, পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় বসবাস করেন। নিরাপত্তার কারণে মাঝে মাঝে শুধুমাত্র একটি বাল্ব জ্বালানো হয়। তবুও এত বিশাল অঙ্কের বিল দেখে হতবাক পরিবারসহ এলাকাবাসী।
সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মীরা বিলের কাগজ হাতে পৌঁছে দিলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
এলাকাজুড়ে মুহূর্তেই শুরু হয় চাঞ্চল্য ও আলোচনা-সমালোচনা। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, “ঘরটি বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকে। মাঝে মাঝে একটি বাল্ব জ্বলে। তবুও এক লাখ টাকার বেশি বিল আসা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।”
এ বিষয়ে পরশুরাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) বলেন, “বিলটি ভুলবশত হয়েছে। সম্ভবত বিল গণনায় সিস্টেম ত্রুটি বা তথ্য বিভ্রাট ঘটেছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি এবং দ্রুত বিল সংশোধন করা হবে।” তিনি আরও বলেন, “গ্রাহকের যাতে কোনো ভোগান্তি না হয়, সেজন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”
এই ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে বিদ্যুৎ বিলের সঠিকতা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
অনেকে মনে করছেন, প্রযুক্তিনির্ভর বিলিং ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণ না থাকায় এমন বিভ্রান্তিকর বিল তৈরি হচ্ছে।
এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এমন ভুল যদি সময়মতো ধরা না পড়ে, তাহলে সাধারণ মানুষই বিপাকে পড়বে। বিদ্যুৎ বিভাগের নজরদারি আরও শক্তিশালী করা দরকার।”
Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।