1. thpshopbd@gmail.com : admin :
রহস্যে ঘেরা কাহালগাঁও বাজারে হা/ম/লা মা/ম/লা আ/ট/ক - probahonewstv
April 25, 2026, 11:50 pm

রহস্যে ঘেরা কাহালগাঁও বাজারে হা/ম/লা মা/ম/লা আ/ট/ক

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, April 12, 2026
  • 33 Time View

রহস্যে ঘেরা কাহালগাঁও বাজারে হামলা মামলা আটক

মো:মাহবুবুল আলম বিভাগীয় ব্যুরো চীফ ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার কাহালগাঁও বাজারে সিপির মুরগির বিষ্ঠা নিয়ে হামলা মামলার রহস্যের ঝট যেন তীব্র আকার ধারণ করছে। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, ফুলবাড়িয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো: আব্দুল কাইয়ুম। অভিযোগের প্রেক্ষিতে মোট ছয় জন আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে ফুলবাড়িয়া থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৭ এপ্রিল( ২০২৬ ইং তারিখ রোজ মঙ্গলবার) রাত দশটার সময় উপজেলার কাহালগাঁও বাজারে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একদল বহিরাগত ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় হামলাকারীরা একটি প্রাইভেট কার ও বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয় স্থানীয় মুরগির ফার্ম নারিসে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে এ হামলা করা হয়। হামলা ও ভাঙচুরের পাশাপাশি তিনটি টেইলার্সের দোকান থেকে নগদ অর্থ, কাপড়-চোপড় লুটপাট ও কিছু জিনিসপত্রে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এক দোকানের মালিক খোকন মিয়া জানান, উনার দোকান থেকে অন্যান্য মালামালের পাশাপাশি আটটি সেলাই মেশিন হামলাকাররা নিয়ে যায়।

ঘটনার তিনদিন পর মামলার বাদী কাইয়ুম তালুকদারের কর্মচারী মো :হাসান (৩০)এর নেতৃত্বে গার্মেন্টস কর্মী মোহাম্মদ আতিক( ৩৫) এর সহযোগিতায়, স্থানীয় সিএনজি চালক মোহাম্মদ জসিমের (৩০)দুটি সেলাই মেশিন বিক্রির উদ্দেশ্যে কাহালগঁাও থেকে ভালুকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় জনতা সেলাই মেশিন সহ উথুরার আকন্দবাড়ীর সম্মুখে দুজনকে আটক করে। বিষয়টি টের পেয়ে গার্মেন্টস কর্মী মোহাম্মদ আতিক পালিয়ে যায়। এ সময় উৎসুক জনতা জসিম এবং হাসানকে আটক করে উথুরা ইউনিয়ন পরিষদে আবদ্ধ করে রাখে।

প্রাথমিকভাবে স্থানীয় লোকজনের সাথে হাসান স্বীকার করেন যে, ঘটনার দিন বাজারের খোক মিয়ার টেইলার্সের দোকান থেকে কাইয়ূম এর ওপর এক কর্মচারী মোহাম্মদের( ৩২) সহযোগিতায় দুটি সেলাই মেশিন নিয়ে মুরগির লেয়ারে লুকিয়ে রাখে।

See also  গাজায় যুদ্ধবিরতির ঘোষণা: শান্তির স্বপ্নে গাজাবাসীর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা

অতঃপর ভালুকা মডেল থানায় বিষয়টি অবগত করা হলে পএস আই মোশারফ এর নেতৃত্বে দুইজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে এবং তাদেরকে ভালুকা থানায় নিয়ে যায়।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যকর অবস্থা তৈরি হয়েছে। অনেকে গ্রেফতার এড়ানোর জন্য এলাকা ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

এলাকাবাসীর দাবি, এই বিষয়টি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত এবং ফুলবাড়িয়া উপজেলা জামায়াত নেতাকর্মীদেরকে হয়রানির উদ্দেশ্যে এ হামলা এবং মামলাটি করা হয়। গাদের দাবি বিষয়টি অতি দ্রুত সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। সেই সাথে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

বান্দরবানে গভীর রাতে অস্ত্রের মুখে ৩ রাবার শ্রমিক অপহরণ। মোঃমাহফুজুর রহমান মোর্শেদ। বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী এলাকায় গভীর রাতে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের হাতে তিন রাবার শ্রমিক অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বাইশারী ইউনিয়নের আলীক্ষ্যং মৌজার মুসতইল্লা পাহাড় এলাকায় অবস্থিত আবীর রাবার বাগানের স্টাফ কোয়ার্টার থেকে এ অপহরণের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, রাতের আঁধারে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র দল স্টাফ কোয়ার্টারের দরজায় এসে দরজা খুলতে বলে। ভেতরে থাকা শ্রমিকরা দরজা খুললে অস্ত্রের মুখে তাদের জিম্মি করা হয়। ওই সময় কোয়ার্টারে নারী-পুরুষসহ মোট ১৩ জন অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে তিনজন শ্রমিককে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। অপহৃতরা হলেন— টেকনাফ উপজেলার শফিউল্লাহ কাটা এলাকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. ছিদ্দিকের ছেলে নুরুল ইসলাম (২০), আনোয়ারের ছেলে এনামুল হক (২০) এবং খুইল্যা মিয়ার ছেলে হাসান (২০)। তারা সবাই রোহিঙ্গা নাগরিক বলে জানা গেছে। এ সময় দুর্বৃত্তরা স্টাফ কোয়ার্টার থেকে পাঁচটি মোবাইল ফোন, দুটি দা এবং তিনটি টর্চলাইট নিয়ে যায় বলেও জানা গেছে। আবীর রাবার বাগানের মালিক ও বাইশারী বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল করিম বান্টু জানান, “শ্রমিক নুরুল ইসলাম আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানালে আমি দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করি। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, “তিন রাবার শ্রমিক অপহৃত হয়েছে। তাদের উদ্ধারে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ অভিযান চলছে। অপহরণের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তিনি জানান, এলাকায় আফসার গ্রুপ, সরোয়ার গ্রুপসহ বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে কোনো একটি গ্রুপ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অপহৃতদের উদ্ধারের পর বিস্তারিত জানা যাবে। উল্লেখ্য, এর আগেও একই এলাকায় তামাক চাষিদের অপহরণের ঘটনা ঘটেছিল। পরে মুক্তিপণের বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।