1. thpshopbd@gmail.com : admin :
বান্দরবানের কেওক্রাডং সংলগ্ন সুংসুয়াং পাড়ায় বম জনগোষ্ঠীর জন্য ইকো রিসোর্ট নির্মাণ - probahonewstv
April 26, 2026, 9:37 am

বান্দরবানের কেওক্রাডং সংলগ্ন সুংসুয়াং পাড়ায় বম জনগোষ্ঠীর জন্য ইকো রিসোর্ট নির্মাণ

মোঃমাহফুজুর রহমান মোর্শেদ,বান্দরবান
  • Update Time : Sunday, December 28, 2025
  • 101 Time View
বান্দরবানের কেওক্রাডং সংলগ্ন সুংসুয়াং পাড়ায় বম জনগোষ্ঠীর জন্য ইকো রিসোর্ট নির্মাণ

বান্দরবানের কেওক্রাডং সংলগ্ন সুংসুয়াং পাড়ায় বম জনগোষ্ঠীর জন্য ইকো রিসোর্ট নির্মাণ

মোঃ মাহফুজুর রহমান মোর্শেদ,বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের রুমা উপজেলার কেওক্রাডং সংলগ্ন সুংসুয়াং পাড়ায় বম জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে একটি ইকো রিসোর্ট নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) প্রাথমিক উদ্বোধন করেন বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম রাকিব ইবনে রেজওয়ান। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২১০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত সুংসুয়াং পাড়ায় বসবাসরত বম জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের অর্থায়নে নির্মাণাধীন প্রকল্পে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। সেনাবাহিনীর ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ‘দি ম্যাজিস্টিক টাইগার্স’ এর সদস্যরা পরিকল্পনা প্রণয়ন থেকে শুরু করে দুর্গম এলাকায় রিসোর্ট নির্মাণের জন্য স্থানীয় জনসাধারণকে সকল ধরনের সহযোগিতা প্রদান করছেন। নির্মিত ইকো রিসোর্টের মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে স্থানীয় বম জনগোষ্ঠীর হাতে থাকবে।

এই রিসোর্ট স্থাপনের ফলে প্রত্যাবর্তনকৃত বম সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং তাদের জীবনমান উন্নত হবে। রিসোর্ট থেকে অর্জিত আয়ের সম্পূর্ণ অংশ স্থানীয়দের ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো উন্নয়নসহ সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হবে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে কুকি চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ) সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর সংঘাতে রুমা উপজেলায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বম জনগোষ্ঠীর কিছু পরিবার ভারতের মিজোরাম এবং সীমান্তবর্তী দুর্গম অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছিল। সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে কেএনএ সন্ত্রাসীদের আধিপত্য হ্রাস পায় এবং অনেক পরিবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। প্রত্যাবর্তনকারী বম পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ১৮ নভেম্বর ২০২৪ থেকে ২০২টি পরিবার, মোট ৫০৩ জন সদস্য নিজ আবাসভূমিতে ফেরত এসেছে। পর্যায়ক্রমে রুমা উপজেলার বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থান পর্যটকদের জন্য খোলা হয়েছে। সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র দলগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে এবং শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

See also  মির্জাপুরে শক্তি মানবসেবা সংগঠনের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে

Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category