
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালে সম্প্রতি উপস্থাপিত একাধিক ফোন রেকর্ডিং নিয়ে দেশজুড়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রসিকিউশনের দাবি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের কথোপকথনে আন্দোলন দমন ও অগ্নিসংযোগের নির্দেশনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
আদালতে উপস্থাপনা : মামলার শুনানিতে প্রসিকিউটররা বলেন, নির্দিষ্ট স্থানে আগুন দেওয়ার নির্দেশ এই ফোনালাপে স্পষ্ট হয়েছে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে জানান, রেকর্ডিংয়ে থাকা কণ্ঠস্বর পরীক্ষার পর মিল পাওয়া গেছে।
প্রতিরক্ষা পক্ষের বক্তব্য : তবে প্রতিরক্ষা আইনজীবীরা যুক্তি দেন, এসব রেকর্ডিং কীভাবে সংগ্রহ করা হলো এবং সেগুলো প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিষয়টিকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
জনমত ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া : এ বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিরোধী দলগুলো বলছে, ফোনালাপ প্রকাশ প্রমাণ করে সরকারের ভূমিকা সহিংসতার পেছনে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হচ্ছে—এটি বিরোধীদের ষড়যন্ত্র।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া : আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম যেমন Associated Press, Al Jazeera, The Daily Star সহ একাধিক গণমাধ্যম এ খবর প্রকাশ করেছে। তারা জানায়, এ রেকর্ডিং ট্রাইব্যুনালে আলোচিত হওয়ার পর দেশি-বিদেশি মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।