
চট্টগ্রামের সলিমপুর এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এখন টেলিভিশনের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান ও বিশেষ প্রতিনিধি হোসাইন জিয়াদ এবং চিত্র সাংবাদিক পারভেজের ওপর সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফেনীতে কর্মরত সাংবাদিকরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসন কার্যালয়, জজকোর্ট ও আদালত চত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ফেনীর বিভিন্ন টেলিভিশন, পত্রিকা, অনলাইন ও ডিজিটাল মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ সাংবাদিক মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঁইয়া।
বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক এনএন জীবন, আতিয়ার সজল, আরিফুর রহমান, শেখ আবদুল হান্নান, এবং নাজমুল হক শামীম প্রমুখ। মানববন্ধনের সঞ্চালনা করেন এখন টিভির ফেনী প্রতিনিধি সোলায়মান ডালিম।
বক্তাদের বক্তব্য ও দাবি: বক্তারা বলেন, “সাংবাদিকদের ওপর হামলা মানে তথ্যের ওপর হামলা। একটি রাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যম যত স্বাধীন, সেই রাষ্ট্র তত গণতান্ত্রিক ও উন্নত।” তারা বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, কারণ সাংবাদিকরাই জনগণের চোখ ও কণ্ঠস্বর।
যদি সাংবাদিক নিরাপদ না থাকে, তবে সমাজে সঠিক তথ্য প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় — যা দুর্নীতি, অন্যায় ও স্বৈরাচার বৃদ্ধির পথ খুলে দেয়।
বক্তারা আরও বলেন, “আমরা চাই এই ঘটনায় জড়িত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার হোক। সারা দেশে সাংবাদিকদের ওপর হামলা-হুমকি বন্ধে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”
সাংবাদিক নিরাপত্তা কেন রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: সাংবাদিকরা সমাজের অন্ধকার জায়গাগুলোতে আলো ফেলেন — তারা জনগণের জানার অধিকার রক্ষা করেন। একটি মুক্ত ও নির্ভীক সংবাদমাধ্যমই গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। যে দেশে সাংবাদিকরা ভয়মুক্তভাবে কাজ করতে পারেন, সে দেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উন্মুক্ত সমাজ ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পায়। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা শুধু তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং রাষ্ট্রের মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক শাসনের ভিত্তি।
সাংবাদিক সমাজের দাবি: হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে , সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে জাতীয় পর্যায়ে টাস্কফোর্স গঠন , গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়ন , স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা