
মুহাম্মদ ছানাউল্লাহ,এভিয়েশন করেসপন্ডেন্ট
বাংলাদেশে আকাশপথে যাত্রী চলাচল ধারাবাহিকভাবে বাড়লেও আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক রুটের বাজার দখলে এখনও পিছিয়ে রয়েছে দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো। এই সুযোগে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো যাত্রী পরিবহনে আধিপত্য বিস্তার করে আসছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি বদলাতে দেশের তিনটি প্রধান দেশীয় এয়ারলাইন্স পাল্টা কৌশল গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি, ভাড়া কাঠামো পুনর্গঠন এবং সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক পরিকল্পনা, সময়োপযোগী বিনিয়োগ এবং সরকারি নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রুটে উল্লেখযোগ্য বাজার দখল করতে পারবে। এতে বিদেশি এয়ারলাইন্সের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি দেশের বিমান খাত আরও শক্তিশালী হবে।
পাল্টা কৌশলে থাকা তিনটি দেশীয় এয়ারলাইন্স বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য যুক্ত করা, বহর আধুনিকায়ন এবং ট্রানজিট যাত্রী সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। হাব হিসেবে ঢাকাকে আরও কার্যকর করার দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে সংস্থাটি।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
বেসরকারি এই এয়ারলাইন্সটি মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভাড়া ও সেবার মানে প্রতিযোগিতা বাড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য।
নভোএয়ার
দেশীয় ও স্বল্প দূরত্বের আঞ্চলিক রুটকে কেন্দ্র করে পুনর্গঠিত ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নিয়ে ফের সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে নভোএয়ার। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক রুটে ফেরার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই কৌশলগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে ধীরে ধীরে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে এবং দেশের এভিয়েশন খাতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
Probaho News24 — প্রবাহিত হোক তথ্য, উন্মোচিত হোক সত্য।