
আন্দোলন-সংগ্রামে পরীক্ষিত মুখ: বগুড়া সিটিতে মাহিদুল ইসলাম গফুরকে নেতৃত্বে দেখতে চায় তৃণমূল।
সাজেদুল ইসলাম রাসেল বিশেষ প্রতিনিধি বগুড়া।
বগুড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত একটি নাম মাহিদুল ইসলাম গফুর। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং নির্বাচনী সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের সম্ভাব্য নেতৃত্বে তাকে দেখতে চেয়ে তৃণমূল পর্যায় থেকে জোরালো দাবি উঠছে।
সাবেক সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এবং সদর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কেবল পদ-পদবীতে সীমাবদ্ধ নয়। মাঠপর্যায়ে দীর্ঘদিনের সক্রিয় উপস্থিতি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ তাকে একটি শক্তিশালী গণভিত্তির নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।
নির্বাচনী দিক থেকেও তার অবস্থান দৃঢ়। অতীতে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনে জামায়াত নেতা আবিদুর রহমান সোহেলকে প্রায় ৪০ হাজার ভোটে পরাজিত করা তার জনপ্রিয়তা ও সংগঠনিক দক্ষতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ব্যবধান শুধু নির্বাচনী বিজয় নয়, বরং শক্তিশালী জনসমর্থনের প্রতিফলন।
তৃণমূল পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতার অন্যতম কারণ হলো দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন গণসংযোগ। শহর থেকে গ্রাম, অলিগলি থেকে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাওয়া—এমন ধারাবাহিক উপস্থিতি তাকে সাধারণ মানুষের আস্থার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সংকটময় সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার রাজনৈতিক পরিচিতিকে আরও শক্তিশালী করেছে।
আন্দোলন-সংগ্রামের পথচলায় জেল-জুলুম, মামলা-হামলার মতো প্রতিকূলতাও মোকাবিলা করেছেন তিনি। এসব অভিজ্ঞতা তাকে শুধু একজন রাজনীতিক নয়, বরং একজন পরীক্ষিত সংগ্রামী নেতা হিসেবে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
শাহজাহানপুরকে পৃথক উপজেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়ায় তার ভূমিকা এবং সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে তুলে ধরেছে।