
মানবসভ্যতার ইতিহাসে সতীত্ব (Chastity) ও শালীনতা (Modesty) কখনোই প্রান্তিক কোনো মূল্যবোধ ছিল না; বরং এগুলোই ছিল সুস্থ সমাজব্যবস্থার মূল স্তম্ভ। সভ্যতার উত্থান-পতনের ইতিহাস গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে একটি সত্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে—যে সমাজে লজ্জাবোধ, শালীনতা ও নৈতিক সংযম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছে, সে সমাজ টেকসই উন্নয়ন ধরে রাখতে পারেনি। ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে এই নৈতিক সংযমের কেন্দ্রবিন্দু হলো পর্দা। পর্দা কেবল পোশাকনির্ভর বিধান নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ সামাজিক নীতি (Social Framework), যা ব্যক্তি-চরিত্র, পারিবারিক স্থিতি ও সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তাকে সুরক্ষা দেয়।
পর্দার দর্শন: কোরআনের মৌলিক দিকনির্দেশনা (অর্থের আলোকে)
কোরআনে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য প্রথম নির্দেশ এসেছে দৃষ্টির সংযম সম্পর্কে। অর্থের সারকথা হলো—মুমিন নারী ও পুরুষ যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে, লজ্জাস্থান সংরক্ষণ করে এবং শালীনতার সীমা অতিক্রম না করে। (সূরা আন-নূর: ৩০–৩১)
অন্যত্র বলা হয়েছে—নারীরা যেন নিজ গৃহে মর্যাদার সাথে অবস্থান করে এবং নিজেদের সৌন্দর্য এমনভাবে প্রকাশ
সাদিয়া নোমানী
লেখক ও গবেষক
ইনকোর্স (ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড লিটারেচার)